মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও:
স্বপ্নের লিবিয়া যাওয়া হলো না বৃহত্তর ঈদগাঁওর ৮ জনের। আদম পাচারকারী সিন্ডিকেটের প্রতারণায় তাদের এ স্বপ্ন ভঙ্গ হয়। ভূক্তভোগীরা এখন হণ্যে হয়ে খুঁজছে সংশ্লিষ্ট ট্রাভেল এজেন্সি মালিককে। প্রাপ্ত অভিযোগে প্রকাশ, ঢাকা ভিত্তিক ট্যুারস্ এন্ড ট্রাভেল এজেন্সি ‘ফারিয়া ট্যুরস্ এন্ড ট্রাভেলস্ (প্রাঃ) লিঃ’ এর স্থানীয় সিন্ডিকেট সদস্যরা স্বপ্নের দেশ লিবিয়া পাঠানোর নামে বৃহত্তর ঈদগাঁওর বিভিন্ন ইউনিয়নের বিদেশগামী লোকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। টাকা নেয়ার ৮/৯ মাস পর লিবিয়া পাঠানোর নামে তাদেরকে ঢাকা ও চট্টগ্রাম পাঠায়। সেখানে ২০/২৫ দিন রাখার পর স্বপ্নের দেশ না পাঠিয়ে বরং তাদের নিজ নিজ বাড়ীতে ফেরত পাঠায়। এজেন্সিটির মালিক রামু চৌমুহনী তেছড়ির মো. আবু বক্কর ছিদ্দিক (মাসুক) বলে প্রতারণার শিকার ব্যক্তিবর্গরা জানান। তাদের মতে ঐ আদমপাচারকারী ঢাকার উত্তরায় অফিস করে। ভিসা প্রসেসিং, ভ্রমণ ব্যবস্থাপনা, এয়ার টিকেটিং ও পবিত্র হজ্ব ও ওমরাহ ভিসার প্রসেসিংয়ের কথা বলে স্থানীয় দালাল ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিভিন্ন জন থেকে লাখ লাখ টাকা গ্রহণ করেছে। ভূক্তভোগীদের মধ্যে কাহাতিয়া পাড়ার তৈয়ব তাহের থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, পোকখালীর মাঈন উদ্দিন থেকে ২ লাখ টাকা, জালালাবাদ পালাকাটার রাশেদুল করিম থেকে ২ লাখ টাকা, গোমাতলীর হুমায়ুন থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, জোয়ারিয়ানালার আলী আহমদ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, রামুর দোস্ত মোহাম্মদ থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, তেচ্ছিপুলেরর মোহাম্মদ আলম থেকে দেড় লাখ টাকা এবং রশিদ নগরের আবু বক্কর থেকে ২ লাখ টাকা লিবিয়ার ভিসা বিক্রির নামে গ্রহণ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। আদমপাচারে জড়িত ঐ প্রতিষ্ঠানটি উক্ত লোকদেরকে ঢাকা ও চট্টগ্রামে নিয়ে লিবিয়া পাঠানোর নামে ২০/২৫ দিন অবর্ণনীয় দূর্ভোগে রাখে। পরে বিদেশ না পাঠিয়ে তাদেরকে নিজ এলাকায় পাঠিয়ে দেয়। প্রতারণার শিকার ভূক্তভোগীরা তাদের প্রদত্ত টাকা ফেরত পেতে এখন মালিককে দিনের পর দিন হন্য হয়ে ও খোঁজে পাচ্ছে না। তাদের অভিযোগ, উক্ত আদামপাচারকারী ২০ টির অধিক সিম ব্যবহার করে। মাঝে মধ্যে সে মামলায় হাজিরা দিতে কক্সবাজার ও আসে। তবে এ সময় তার মোবাইল সিম বন্ধ রাখে বলে জানান তারা। এদিকে লিবিয়ার ভিসা আছে কিনা জানতে চেয়ে এ প্রতিবেদক এজেন্সি মালিক মোহাম্মদ আবু বক্কর ছিদ্দিক (মাসুক)র সাথে তার মোবাইলে কথা বলেন। পরে অভিযোগের ব্যাপারে খোঁজ খবর নিলে তিনি টাকা আত্মসাতের কথা অস্বীকার করে বলেন, গত ৩/৪ মাস লিবিয়ার ভিসা প্রসেসিং কার্যক্রম বন্ধ ছিল। সম্প্রতি আবার চালু হয়েছে। তার সব যাত্রী লিবিয়া গেছে বলে দাবী ঐ মালিকের। পরে তার কাছে ভূক্তভোগীদের নাম ঠিকানা ও গ্রহণকৃত টাকার পরিমাণ প্রকাশ করলে তিনি হয়ত চট্টগ্রাম অফিসের মাধ্যমে তারা টাকা জমা করতে পারেন বলে মন্তব্য করেন।
প্রকাশিত: ১৮/১১/২০১৪ ১০:১১ অপরাহ্ণ
পলাশ বড়ুয়া:: উখিয়া কলেজের বার্ষিক শিক্ষা সফর-২০২৫ সম্পন্ন হয়েছে আজ। নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে প্রায় ...
পাঠকের মতামত